calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন
home হোম / খেলাধুলা / ২ স্মৃতিকে ফেরালেন মেসি ২ রেকর্ডে যেভাবে ম্যারাডোনার আনন্দ-বেদনার
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
খেলাধুলা বিশেষ প্রতিবেদন

২ স্মৃতিকে ফেরালেন মেসি ২ রেকর্ডে যেভাবে ম্যারাডোনার আনন্দ-বেদনার

যে শহরে একবার এক কিংবদন্তির সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল, সেই একই শহরে ৩২ বছর পর তারই উত্তরসূরি একই রাতে দুটো বিপরীতমুখী রেকর্ড গড়ে ফেললেন। যে দিনে সে কিংবদন্তি উঠে গিয়েছিলেন ইতিহাসের পাতায়, ৪০ বছর পর সে একই দিনে সে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ • দুপুর ০২:৩২
history আপডেট: ৪ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৮৭ বার পঠিত

সু অ্যালেন কার্পেন্টার নামের এক নার্স মাঠ থেকে হাত ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন তাকে। উদ্দেশ্য ছিল ডোপ টেস্ট। সেই টেস্টের ফলাফল এল এফেড্রিন পজিটিভ। যার শাস্তি হিসেবে তিনি পেলেন ১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞা। সঙ্গে সঙ্গে একটা স্বপ্নের কফিনেও যেন শেষ পেরেকটা ঠোকা হয়ে গেল।

আর্জেন্টিনার এক সোনালী প্রজন্মের শেষ আর আরেক প্রজন্মের শুরু দেখছিল সে বিশ্বকাপ। রেডন্ডো, বাতিস্তুতা, কানিজিয়া, বালবোদের নিয়ে গড়া সেই দলের সঙ্গে ছিলেন নায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনা। দুয়ের মেলবন্ধনে আর্জেন্টিনা দেখছিল তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। সে স্বপ্ন এক পলকেই চুরমার। ম্যারাডোনা-বিহীন আর্জেন্টিনা এরপর ডালাসেই বুলগেরিয়ার কাছে হারে, তারপর শেষ ষোলোতে রোমানিয়ার কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায়।

৩২ বছর পরের এক কাঠফাটা রোদ্দুরের দিন। ২২ জুন, ২০২৬। শহরটা একই, এবার রঙ্গমঞ্চটা বদলে গেল। এবারের ভেন্যু আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম। এবার আরেকটু হলে অন্য এক নায়কের বধ্যভূমি বনেই যাচ্ছিল এই মাঠ। লিওনেল মেসি অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে বসলেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা হয়ে থাকল সর্বোচ্চ সংখ্যক পেনাল্টি মিসের রেকর্ড।

গল্পটা এখানেই শেষ হতে পারত। কিন্তু হলো না আরেক কারণে। কারণ তারিখটাতে খেয়াল করুন এবার। এটা সেই দিন ৪০ বছর আগে যে তারিখে ম্যারাডোনা উঠে গিয়েছিলেন ইতিহাসের পাতায়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে এই ২২ জুনই তিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন ‘হ্যান্ড অফ গড’ আর ‘গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি’; সেটাও আবার ৪ মিনিটের এদিক ওদিকে।

অমরত্বের খাতায় নাম লেখানোর জন্য মেসি যেন সে দিনটার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। পেনাল্টি মিস করে ম্যারাডোনার ডালাস স্মৃতিকে উসকে দিয়েছিলেন। এরপর দারুণ দুটো গোল করে তিনি যেন একটা ট্রিবিউট দিলেন ম্যারাডোনার ২২ জুনের সে ইতিহাসকে।

শুধুই যদি গোল হতো, তাহলে ট্রিবিউট কথাটা মোটেও মানানসই হতো না বোধ করি। মেসি এই দুই গোলের প্রথমটিতে উঠে গেছেন ইতিহাসের পাতায়। ১৭ গোল করে তিনি পেছনে ফেলেছিলেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। জোড়া গোলে স্মরণটা তাই নেহায়েত স্মরণে আটকে রইল না, রূপ নিল নৈবেদ্যে।